রাঙামাটি জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির শীর্ষ দুই পদসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৭ জন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেতা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, উজ্জ্বল চাকমা ও দিবাকর চাকমা। তারা এনসিপি জেলা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন বিএস কলিন্স চাকমা ও প্ৰনব বিকাশ চাকমা। যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে দুনয়ন চাকমাকে। সদস্য রাখা হয়েছে অনিল কুমার চাকমা, পুলক চাকমা, সাগরিকা চাকমা, বীর সিংহ চাকমা, মীর শাহ আলম চৌধুরী, সুনীল বিকাশ চাকমা, দর্পন ত্রিপুরা, সউজ চাকমা, চন্দ্র লাল চাকমা, সোলাইয়মান মিয়া আকাশ, সুমন বড়ুয়া, উষাপ্রু মারমা, পূর্ন বিকাশ চাকমা, চিরঞ্জিব চাকমা, সুনিতা চাকমা, মনমিতা চাকমা, সুরেন্দ্র লাল চাকমা, সজীব ভট্টাচার্য, বিপ্লব চাকমা ও অচিন্ত্য চাকমাকে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাঙামাটি জেলার আহ্বায়ক কমিটির গঠনের তথ্য জানায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রাপ্ততথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গণসংহতি আন্দোলনের ২৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির ১৭ জন এনসিপির রাজনীতি করেছেন। তারা বিভিন্ন সময়ে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন।
তাদের মধ্যে উজ্জ্বল চাকমা এনসিপির রাঙামাটি জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। তিনি গত ৫ মার্চ দল থেকে পদত্যাগ করেন। একই মাসে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে দিবাকর চাকমাসহ অন্যরা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পদত্যাগ করেন।
গণসংতি আন্দোলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে উজ্জ্বল চাকমা এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমরা এই দলে যোগ দিয়েছি অনেক আশা নিয়ে। সব জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই। ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলাম। বিগত জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এনসিপি স্বতন্ত্র আদর্শ থেকে সরে গেছে। এজন্য থেকে এনসিপি পদত্যাগ করি।

